5GB-Monthly

অনলাইন থেকে টাকা আয় করার নিশ্চিত উপায়!












 আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন। আমরা যারা অবসর বা বেকার জীবন কাটাচ্ছি আমাদের মাথায় একটাই চিন্তা থাকে যে কিভাবে টাকা আয় করে আমাদের এই বেকার জীবন দূর করবো। পৃথিবীতে  অনেক কাজ আছে যেখান থেকে টাকা আয় করে সচ্ছল্ভাবে জীবন যাপন করা যায়। বর্তমান এই আধুনিক বা ইন্টারনেটের যুগে সবাই ভাবে যে কিভাবে অনলাইন থেকে নিচশিতভাবে টাকা আয় করা যায়। আজ আমরা অনলাইনে আয়ের বিষয়ে একটু আলোচনা করবো। আশা করি এই পোষ্ট-টি পড়ে অনেক কিছু জানতে পারবেন।

 অনলাইনে আয় করার বিভিন্ন উপায় আছে যেগুলোকে কাজে লাগিয়ে আপনাকে ভালোভাবে কাজ করতে হবে। অনলাইনে  কাজ করতে হলে আপনাকে অনেক সময় ধৈর্য রাখতে হবে। অনেকেই মনে করেন যে অনলাইন থেকে খুব সহজে এবং কম পরিশ্রমে বেশী টাকা আয় করা যায়। এই ধারণা-টি যারা নতুন অনলাইন জগতে এসেছেন তাদের মনে হতে পারে। অনলাইন আয় প্রথম দিকে অনেক পরিশ্রম এবং ধৈর্য থাকতে হবে পরে যখন আপনি  কাজ করে সফল হবেন তখন আপনার কাছে সবকিছু সহজ মনে হবে। তাহলে দেখে আসা যাক কি কি কাজ করলে অনলাইন থেকে নিশ্চিত টাকা করা যায়।

 

 ফ্রিলান্সিং

 অনলাইনে আয় করার ক্ষেত্রে ফ্রিলান্সিং একটি জনপ্রিয় পেশা। বিভিন্ন দেশের  বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত নিজস্ব কর্মী নিয়োগ না করে বাইরের  কোন দেশের নাগরিক দিয়ে বিভিন্ন কাজ করিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে আউটসোর্সিং বলে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি কম কম ব্যয়ে এবং দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে পারে । আর এ- ধরনের কাজ যারা করে তাদের কে ফ্রিলান্সার বলে। আর যারা  এসব পেশায় যারা কাজ করে তাদের ফ্রিলানসিং বলে। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে ফ্রিল্যান্স কাজের সুযোগ দেয় কয়েকটি ওয়েবসাইট। সেখানে অ্যাকাউন্ট খুলে দক্ষতা অনুযায়ী কাজের জন্য আবেদন করতে হয়। কাজদাতা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী যোগাযোগ করে ফ্রিল্যান্সারকে কাজ দেয়।

কয়েকটি ওয়েবাসাইটে কাজের দক্ষতার বিবরণ জানাতে হয়যাতে ক্রেতা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। এসব সাইটের মধ্যে ফাইভার ডটকমআপওয়ার্ক ডটকমফ্রিল্যান্সার ডটকম ও ওয়ার্কএনহায়ার ডটকমে ফ্রিল্যান্সিং কাজ পাওয়া যায়। ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায় এসব সাইট থেকে।

 

নিজের একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে টাকা আয়।

আমরা যারা অনলাইনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সার্চ করে থাকি। তখন গুগোল আমাদের বিভিন্ন ওয়েবসাইট এ প্রবেশ করে থাকে ।মূলত ওয়েবসাইট হচ্ছেঃ কোন ওয়েব সার্ভারে রাখা কতকগুলো ডিজিটাল তথ্যের সমষ্টি। কতকগুলো ওয়েবপেইজ নিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরী হয়। একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে সারা জীবন টাকা আয় করা সম্ভব । আর ওয়েবসাইট তৈরী করতে অনেক সময় এবং অনেক শ্রম এর দরকার হয়। আপনি গুগোল এডসেন্স অথবা এফিলিয়েট মার্কেটিং  করে আয় করা শুরু করা যেতে পারে। যখন পাঠক বা দর্শককে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন কনটেন্ট সেবা দেওয়ার প্রস্তুতি সারাতখন গুগল অ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। গুগলের বিজ্ঞাপন যখন সাইটে দেখানো শুরু হবে এবং তাতে ক্লিক পড়বেতখন আয় আসতে শুরু করবে। ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা দর্শক যত বেশি হবেআয়ের পরিমাণ তত বাড়বে।

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

কোন একটি প্রডাক্ট বা পন্য বিভিন্ন ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় বিক্রি করে দেওয়া কে সাধারণত মার্কেটিং বলে। আপনি যে কোম্পানীর এফিলিয়েট প্রগ্রামে জয়েন হয়ে এফিলিয়েট লিংকের মাধ্যমে কোন কোম্পানির পন্য বিক্রি করে দিচ্ছেন সে-টি হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং

এই পদ্ধতিতে আয়ের ক্ষেত্রেও নিজের ওয়েবপেজ বা ব্লগ প্রয়োজন। যখন ওয়েবসাইট বা ব্লগ চালু হবেতখন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লিংক তাতে যুক্ত করতে পারবেন। যখন আপনার সাইট থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবা কোনো দর্শক কিনবেনতখনই আপনার আয় আসতে শুরু করবে। আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন।

 

 গ্রাফিক্স ডিজাইন

অনলাইনে ঘরে বসে আয়ের ক্ষেত্রে গ্রাফিকস ডিজাইন ভালো উপায়। যাঁরা এই কাজে দক্ষতাঁরা বিভিন্ন ডিজাইন অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে দিয়ে রাখেন। সেখান থেকে তাঁদের আয় আসে। তাঁদের তৈরি একটি পণ্য অনেকবার বিক্রি হয়অর্থাৎ একটি ভালো নকশা থেকেই দীর্ঘদিন পর্যন্ত আয় হতে থাকে। অনলাইনে এ ধরনের অনেক ওয়েবসাইটে গ্রাফিকসের কাজ বিক্রি করা যায়। এ ছাড়া অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতেও গ্রাফিকস ডিজাইনারদের অনেক চাহিদা রয়েছে।  বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনের  চাহিদা অনেক ,  ধরূন আপনার  একটি কোম্পানী  রয়েছে এখন আপনার কোম্পানীর একটি লোগো  বা ব্যানার প্রয়োজন এখন আপনাকে অবশ্যই গ্রাফিক্স ডিজাইনের প্রয়োজন  হবে তাই সবাই এই কাজ টি বেশী করতে চাই।


অনলাইন টিউটর

কোনো বিষয়ে যদি আপনার পারদর্শিতা থাকেতবে অনলাইনে সে বিষয়ে শিক্ষা দিতে পারেন। অনলাইন টিউটরদের এখন চাহিদা বাড়ছে। সব বয়সী শিক্ষার্থীদের আপনি শিক্ষা দিতে পারবেন। এখানে অন্য দেশের শিক্ষার্থীদেরও পড়ানোর সুযোগ রয়েছে। অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে অনলাইন টিউশনির সুযোগ রয়েছে। সেখানে সুবিধামতো সময়ে পড়াতে পারেন ছাত্র। এসব সাইটে নিজের দক্ষতার পরীক্ষা দিতে হয়। একবার নির্বাচিত হয়ে গেলে ওয়েবিনার পরিচালক হিসেবে অনলাইন সেশন পরিচালনা করতে পারেন। দক্ষতা বাড়লে এ ক্ষেত্র থেকে অনেক আয় করার সুযোগ আছে


ইউটিউব এর ভিডিও বানিয়ে টাকা আয়।

যেহেতু ইউটিউব একটি ভিডিও এর প্ল্যাটফর্ম এবং গুগোলের আওয়াতায়  রয়েছে। তাই গুগোল বিভিন্ন বড় বড়  কোম্পানী বা প্রতিষ্টানের কাছ থেকে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন নিয়ে থাকে প্রমশন করার জন্য। সেখান থেকে আমাদের মত কিছু কনটেন্ট ক্রিয়টের এর মাধমে গুগোল প্রমোশন করিয়ে নেয়। ইউটিউব এ যেহেতু অনেক মানুষ বিভিন্ন ভিডিও দেখে থাকে। ইউটুবের মনিটাইজেশন এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন প্রমশন করে ্তার  বিনিময়ে ইউটুবের কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের থাকে কিছু পেমেন্ট আর এভাবেই ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা যায়।


পিটিসি সাইটে কাজ করে।
অনেক ওয়েবসাইট আছেযাতে রাখা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে আপনাকে অর্থ দেওয়া হবে। এ ধরনের সাইটকে পিটিসি সাইট বলে। প্রকল্প শুরুর আগে নিবন্ধন করতে হয়। তবে মনে রাখতে হবে পিটিসি সাইটগুলো বেশির ভাগ ভুয়া হয়। তাই কাজের আগে নিশ্চিত হতে হবে সেটি প্রকৃত সাইট কি না। অনেক সময় বন্ধুতে রেফারেন্স দিয়ে আয় করতে পারেন।

এছাড়াও অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের কাজ আছে যেখান থেকে  নিশ্চিতভাবে টাকা আয় করা সম্ভব। এর  মধ্য-ও অনেক ওয়েবসাইট  আছে যেখান থেকে টাকা আয় করা সম্ভব। আপনারা যারা পিটিসি বা এডে ক্লিক করা কাজ করে থাকেন তারা ভালো সাইট খুজে কাজ করার চেষ্টা করবেন কারণ অনলাইনে অনেক সাইট আছে যারা কাজ করিয়ে নেয় ঠিক-ই কিন্তু কাজ শেষে পেমেন্ট দেয় না। আজ এই পর্যন্ত। আশা করি আপনাদের সবার কাছে এই পোষ্ট-টি ভালো লাগবে।

 

 

 Read in English


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
close